Your shopping cart is empty Log in
| About Boi Mela | Customer Service | Contact
 HomeAdvanced SearchNew BooksPublisher List

 Download Free Books
 
 Boi Mela 2012 Books
 
 Download Free Textbooks
 
 English Titles
 
 Top #100 Bestsellers
 
 Authors List
Humayun Ahmed
Qazi Anwar Husain
Imdadul Haq Milon
Muntassir Mamoon
Muhammed Zafar Iqbal
Rakib Hassan
 See all Authors...
 
 Category Listing
Novels
Children
Reference
Poetry
Stories
Biography
Essays
Muktijuddho
History
Science
 See all Categories..
 
 Publisher List
Anannya
Mowla Brothers
Somoy Prokashon
Oitijjhya
Annyaprokash
 See all Publishers...


  Information
Shipping Information
Payment Options
Order Tracking
Privacy & Security
Our Friends
 Help Us

Google
Web Boi Mela


Banglapedia Articles
Bhajan
Buddha, Gautam
Furniture
Gazi Kalu-Champavati
Lakshmipur Sadar Upazila
Patuya Sangit

Web Hosting by Alpha Net

Boi-Mela.com is hosted by Alpha Net's Web Hosting in Bangladesh. Alpha Net is the best Web Hosting company in Bangladesh offering low cost Linux Hosting, ASP.NET Hosting, VPS, & Dedicated Servers for over 16 years.

Are you looking to find a Martial Arts School around you? Try dojos.info. There are over 30 thousand Martial Arts Schools that you can search by location, style, name etc. For Canada, see dojos.ca and dojos.com.au for Australia.

For Martial Arts Schools in UK, try UK's Dojo Directory.

 

 

 


Juddhaporadhir Bichar: Jahanar Imamer Chithi / যুদ্ধাপরাধীর বিচার : জাহানারা ইমামের চিঠি
-
Juddhaporadhir Bichar: Jahanar Imamer Chithi By:Asif Najrul Book Type: Novels
  বইটি কিনতে ফোন করুন
0197-2646352
(0197-BOIMELA)
Book Code 10753
Publisher Annyaprokash / অন্যপ্রকাশ
Book Type Novels [+]
Published February, 2009
ISBN 9848685308
Page 88
Language Bangla
Binding Hardcover
Price Tk. 120.00
   
বইটি বাংলায় দেখুন
Available in Stock
   
Quantity  
DBBL Nexus

More books from the Author

Dokhol By:Asif Najrul Akrosh By:Asif Najrul Onno Alor Din By:Asif Najrul Moushumi Bou By:Asif Najrul Machimpurer Chourasta By:Asif Najrul

Dokhol

Akrosh

Onno Alor Din

Moushumi Bou

Machimpurer Chourasta

These books are for Free!!!

Himghore ghum o Onnanno By:Muhammed Zafar Iqbal Tratuler Jogot By:Muhammed Zafar Iqbal Class V Christian Religious Studies By:NCTB Authors Class V General Science By:NCTB Authors Austittyo By:Anisur Rahman Alif

Himghore ghum o Onnanno

Tratuler Jogot

Class V Christian Religious Studies

Class V General Science

Austittyo
Description:
জাহানারা ইমামের সংগ্রাম

মশিউল আলম | তারিখ: ০২-০৭-২০১০

যুদ্ধাপরাধীর বিচার: জাহানারা ইমামের চিঠি—আসিফ নজরুল \ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ \ অন্যপ্রকাশ, ঢাকা \ ৮৮ পৃষ্ঠা \ ১২০ টাকা

নব্বই দশকের শুরুতে গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তনের পর একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে শহীদজননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে যখন এক অভিনব আন্দোলন শুরু হয়, সে-সময় সাপ্তাহিক বিচিত্রায় রিপোর্টার হিসেবে কাজ করতেন আসিফ নজরুল, যিনি এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক, যুবক বুদ্ধিজীবী ও একজন সুপরিচিত কলাম লেখক। সাংবাদিক থেকে তিনি হয়ে ওঠেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষের একজন প্রবল অ্যাকটিভিস্ট। সেই সুবাদে তিনি জাহানারা ইমামের যে ব্যক্তিগত সান্নিধ্যের বিরল সুযোগ পেয়েছিলেন তার ফসল তাঁর লেখা বই ‘যুদ্ধাপরাধের বিচার: জাহানারা ইমামের চিঠি’।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের লক্ষ্যে জাহানারা ইমামের আহ্বানে ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি গঠন করা হয় ‘একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি’ নামে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট এক নাগরিক কমিটি, যাঁদের মধ্যে আসিফ নজরুলও ছিলেন। তার তিন সপ্তাহের মাথায় আওয়ামী লীগসহ ১৪টি রাজনৈতিক দল, ১৫টি ছাত্রসংগঠন, ১৩টি নারী সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধাদের চারটি সংগঠন ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সমন্বয়ে বৃহত্তর পরিসরে গঠিত হয় ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটি’। জাহানারা ইমাম সর্বসম্মতিক্রমে এই বৃহত্তর মঞ্চেরও আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালের ২৬ মার্চ তাঁরা রাজধানীর সোহ্রাওয়ার্দি উদ্যানে আয়োজন করেছিলেন গণআদালতের, সে আদালত বিচার করেছিল যুদ্ধাপরাধীদের। সে-সময় ক্ষমতায় ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী দল জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে তাঁদের সখ্য। যদিও বিএনপির নেতাদের কেউ কেউ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবির পক্ষে তাঁদের সমর্থন ছিল, তবু জাহানারা ইমামসহ গণআদালতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ২৪ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সে-সময়ের বিএনপি সরকার রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে মামলা করেছিল, তাঁদের বিরুদ্ধে দমনপীড়ন চালিয়েছিল। আসিফ নজরুল ছিলেন সেই ২৪ আসামির মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ।
এই সুবাদে নব্বই দশকের সেই অভূতপূর্ব আন্দোলনের ভেতরের অনেক কিছু দেখার ও বোঝার সুযোগ পেয়েছিলেন আসিফ নজরুল। আন্দোলনটি কীভাবে সূচিত হয়েছিল, ধীরে ধীরে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং স্বাধীনতার পরের দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিস্মৃত একটি বিষয়কে জাতির স্মরণে এনে একটি প্রধান জাতীয় ইস্যুতে পরিণত করেছিল, তার বিবরণ সংক্ষেপে দিয়েছেন আসিফ নজরুল। গণআদালতের ধারণাটিও তিনি সংক্ষেপে পরিষ্কার করেছেন। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার দায়িত্ব সরকারের; জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে আন্দোলন সরকারকে সেই দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিতে চেয়েছিল। গণ-আদালতের রায়ের শেষাংশ তিনি প্রাসঙ্গিকভাবে উদ্ধৃত করেছেন: ‘যেহেতু গণআদালত কোনো দণ্ডাদেশ কার্যকর করে না, সেহেতু অভিযুক্ত গোলাম আযমকে আমরা দোষী সাব্যস্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি।’
শহীদজননী ও শহীদজায়া জাহানারা ইমাম একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আশায় বেঁচে ছিলেন ২৩ বছর, মন্তব্য করেছেন আসিফ নজরুল। বিচারের দাবিতে তিনি সক্রিয় হয়ে উঠেছিলেন জীবনের একদম শেষ প্রান্তে পৌঁছে। তাঁর নেতৃত্বে ঘাতক-দালালদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন কেন শুরু হয়েছিল ১৯৯২ সালে, কেন তার আগে নয়? এমন প্রশ্ন মনে জাগে। নব্বইয়ে স্বৈরশাসনের অবসান ও একানব্বইয়ে গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তনের ফলে যে রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল তার সঙ্গে ওই আন্দোলনের কোনো যোগসূত্র ছিল কি না সে বিষয়ে আসিফ নজরুল কিছু আলোকপাত করেননি। তবে আন্দোলনটি কেন মাত্র বছর দুয়েকের মধ্যেই তখনকার মতো স্তিমিত হয়ে পড়েছিল তা সম্পর্কে লেখকের একটি ব্যাখ্যা আছে এ বইতে। সেটি এরকম: ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটি’তে ক্রমে সংখ্যাধিক্য ঘটে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের। ১৯৯৪ সালের প্রথমার্ধ নাগাদ বিএনপি সরকার-বিরোধী আন্দোলন বেগবান হয়ে ওঠে। ‘একাত্তরের হত্যাকারীদের বিচারের সঙ্গে ১৯৭৫-এর বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি সংযুক্ত করার জন্য কেউ কেউ জাহানারা ইমামের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করেন। নির্মূল কমিটি ও সমন্বয় কমিটির নেতারা এ প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন।’ এসবের সঙ্গে যুক্ত হয় ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন জাহানারা ইমামের মৃত্যু। আন্দোলনের সূচনা ঘটেছিল তাঁর হাতে, অবসানও ঘটল যেন তাঁর জীবনাবসানের মধ্য দিয়ে।
আসিফ নজরুল আরও লিখেছেন, ‘১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবি শিকেয় ওঠে। সমন্বয় কমিটির নেতারা যেন পণ করে বসেন যুদ্ধাপরাধের বিচারের আন্দোলন বেগবান রেখে কোনোভাবে যাতে আওয়ামী লীগ সরকারকে বিব্রত করা না হয়। অথচ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতেই আওয়ামী লীগ বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর পাঁচ বছরে সেই বিচারের কোনো রকম অর্থবহ উদ্যোগ গ্রহণ করেনি দলটি। সমন্বয় ও নির্মূল কমিটিও আওয়ামী লীগ শাসনামলে এই বিচারের আন্দোলনটি প্রায় গুটিয়ে ফেলে।’
আসিফ নজরুল বইটি লিখেছিন ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় ও সরকারের দায়িত্বগ্রহণের পর, এবং বইটি প্রকাশিত হয়েছে ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে। এ সময়ে সেক্টর কমান্ডার ফোরামের নেতৃত্বে যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে নতুন করে আন্দোলন শুরু হয়েছে এবং এবার খোদ আওয়ামী লীগ সরকারও এ আন্দোলনে শরিক আছে। আসিফ নজরুল লিখেছেন: ‘একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাস্তবায়ন করার জন্য আসলে প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছার দৃঢ়তা। এই দৃঢ়তা মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানকারী দল আওয়ামী লীগেরই থাকা উচিত। ২০০৮ সালের নির্বাচনে স্মরণকালের বিশালতম সমর্থন পাওয়ার পর এই দৃঢ়তা না দেখানোর কোনো যুক্তি নেই।’
বইটির বাড়তি পাওনা জাহানারা ইমামের সঙ্গে আসিফ নজরুলের মা-ছেলের মতো নিবিড় ব্যক্তিগত সম্পর্কের কিছু বিবরণ, কিছু সংক্ষিপ্ত উল্লেখ। এসবের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন মুহূর্তে ফুটে উঠেছে জাহানারা ইমামের ব্যক্তিগত চারিত্রিক দৃঢ়তা, সাংগঠনিক বিচক্ষণতা ও এক স্নেহময়ী মায়ের রূপ।

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-07-02/news/75326
 
Reader's Review
Add your own comment
  Quick Find: |A|B|C|D|E|F|G|H|I|J|K|L|M|N|O|P|Q|R|S|T|U|V|W|X|Y|Z|

© 2017 Boi-Mela
83/1 Laboratory Road , Dhaka - 1205, Bangladesh, Voice: +880 2 9131155, E-mail: info@boi-mela.com
1107, N. Forrest Avenue, Kissimmee, Florida - 34741, USA, Fax: +1 407 396 4913